৭:৪৯ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ৩ রমজান ১৪৪২

Developer | ডেস্ক

অনুমোদনহীন ইটভাটায় পুড়ছে লাকড়ি

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:১০


ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় কমপক্ষে অর্ধশত ইটভাটা পরিবেশ অধিদফতরে কোনোরূপ ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে।  ভাটাগুলোতে কয়লার পরিবর্তে জ্বালানী হিসেবে অবাধে লাকড়ি এবং আস্ত কাঠ পুড়ানোর হিড়িক পরেছে ইটভাটাগুলোতে।  অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলকে উৎকোচ দিয়েই নিয়ম বহির্ভ‚তভাবে ইট প্রস্তুত করে যাচ্ছে ভাটাগুলো। 
এতে করে একদিকে ভাটার মালিকরা যেমন রাতারাতি হচ্ছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ তেমনি ফসলি জমির ওপর যত্রতত্র ইটভাটা গড়ে ওঠায় কৃষকের ফসলের হচ্ছে সর্বনাশ।  এরূপ চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা
সরেজমিনে জানা যায়, ফুলবাড়ীয়া, আছিম পাটুলি, দেওখলা, নাওগাও, ভবানিপুর, রাধাকানাই, এনায়েতপুর, বালিয়ান ইউনিয়নের অধিকাংশ ভাটাতে ইট তৈরিতে পুড়ানো হচ্ছে লাকড়ি ও কাঠ। 
উপজেলায় যে কয়েয়টা কয়লাভিত্তিক ভাটা রয়েছে সেখানেও নিম্ন মানের কয়লা ব্যবহার করায় ক্ষতিকর কার্বন নির্গমনের মাত্রা বাড়ছে।  উপজেলার আছিম পাটুলি ইউনিয়নে এসএসবি, আছিম তিতার চালা ইরাম এবং ভবানিপুর জবান মিয়ার ইট ভাটায় আস্ত কাঠ, লাকড়ি পোড়াতে দেখা গেছে। 
এ বিষয়ে এস এস বি ব্রিকসের মালিক আব্দুর রাজ্জাক জানায়, আমি এ বছর আমার ইটভাটায় কাঠ পোড়ানোর জন্য তিন লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছি।  প্রতি বছর সরকারকে ভ্যাট দেই।  এজন্য এ বছর লাকড়ি পুড়িয়ে ইট বানাবো। 
এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল সিদ্দিকী জানায়, ফুলবাড়ীয়ার কোনো ইটভাটায় যদি লাকড়ি পোড়ানো হয় আর।  তাহলে আমরা সাথে সাথে সে ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 
ইটভাটা সমিতির সভাপতি লাল মাহমুদ সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলায় ২০টি ইটভাটার মধ্যে ২-৩ টির লাইসেন্স আছে।  শুধু তাইই নয় দেশব্যাপি চলছে এমনি কান্ড।