৯:৩৪ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার | | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

Developer | ডেস্ক

কলারোয়ায় একই পরিবারের চার সদস্য খুন!

১৬ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫০


সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার ভোরে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা গ্রামে নিজ ঘরে ঢুকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা।  এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের আপন ছোট ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।  নিহতরা হলো- শাহিনুর রহমান, তার স্ত্রী সাবিনা খাতুন, শিশু ছেলে সিয়াম ও তাছলিম।  একমাত্র দেড় মাস বয়সের মারিয়া বেঁচে আছে।  সরজমিনে দেখা গেছে, একতলা একটি বাড়ি গ্রিল দিয়ে ঘেরা।  একটি ঘরে স্বামী, স্ত্রী ও দুই মাস বয়সের শিশু মারিয়া ছিল।  পাশের ঘরে ছেলে সিয়াম (১০) ও মেয়ে তাছলিমা (৮)  ঘুমিয়ে ছিল।  সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার ভোরে কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা গ্রামে নিজ ঘরে ঢুকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা।  এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের আপন ছোট ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।  নিহতরা হলো- শাহিনুর রহমান, তার স্ত্রী সাবিনা খাতুন, শিশু ছেলে সিয়াম ও তাছলিম।  একমাত্র দেড় মাস বয়সের মারিয়া বেঁচে আছে।  সরজমিনে দেখা গেছে, একতলা একটি বাড়ি গ্রিল দিয়ে ঘেরা।  একটি ঘরে স্বামী, স্ত্রী ও দুই মাস বয়সের শিশু মারিয়া ছিল।  পাশের ঘরে ছেলে সিয়াম (১০) ও মেয়ে তাছলিমা (৮)  ঘুমিয়ে ছিল।  পাশের ঘরে ছিল ভাই জাহানূর।  চার চারটি মানুষ দীর্ঘ সময় ঘরে অবস্থান করলো।  ভাইকে বেঁধে ফেলা হলো।  কিন্তু ভাই কিছুই জানতে পারলো না।  এ নিয়ে রহস্যময় হয়ে উঠেছে ঘটনা।  রাতের যে কোন সময় ছাদের উপর দিয়ে ঢুকে স্বামী, স্ত্রী ও দুই শিশুকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছে।  নিহত শাহিনুর জবাই করা অবস্থায় উপুড় হয়ে পড়েছিল খাটের ওপর।  নিচে একইভাবে স্ত্রী সাবিনা খাতুনের লাশ পড়েছিল।  পাশের ঘরে মেয়ে ও ছেলের গলাকাটা লাশ পড়েছিল। 
অপর একটি সূত্র বলছে, প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন খুলনা রেঞ্জর ডিআইজি, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা  কামাল,  পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, সিআইডির পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিন ও কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারান পাল।  পুলিশ কয়েকটি কারণ নিয়ে তদন্ত করছে।  ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের ভাইকে আটক করা হয়েছে।