১২:২৯ পিএম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার | | ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

Developer | ডেস্ক

বাগানে ছাগল চড়াতে গিয়ে পেলেন ছেলের লাশ

০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:২২


বান্দরবানের লামায় বিষপানে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা।  সোমবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় নিহতের বসতবাড়ি সংলগ্ন বাগানে ছাগল চরাতে গিয়ে ছেলেকে মরে পড়ে থাকতে দেখে মা ফাতেমা বেগম চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে।  পরে জনপ্রতিনিধি ও লামা থানাকে খবর দেয়া হয়। 

নিহত মো. সায়েদুল ইসলাম (২৬) উপজেলার রুপসীপাড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া এলাকার মুকবুল হোসেন প্রকাশ জাবের ও ফাতেমা বেগমের ছেলে।  নিহত সায়েদুল ইসলাম ২ বোন ও ৬ ভাইয়ের মধ্যে ৩য়।  ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল হক বলেন, খবর পাওয়া মাত্র অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই।  আমরা এসে লাশটি বাড়ির আঙ্গিনায় পাই।  পরে নিহতের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে বিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বান্দরবান জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

নিহতের মা ফাতেমা বেগম বলেন, গতরাতে বাড়ির সামনের রুমে খাটে আমার ছেলে ঘুমায়।  সকালে উঠে আমরা বাড়ির দরজা খোলা পাই।  বেলা ১১টায় পাড়ির পূর্ব পাশের বাগানে লেকের ধারে ছাগল চরাতে গেলে দেখি আমার ছেলে মরে পড়ে আছে।  আমি চিৎকার দিয়ে ছেলেকে জড়িয়ে ধরি।  পরে টানতে টানতে আমি একাই ছেলের লাশ বাড়ির আঙিনায় নিয়ে আসি।  পরে খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে।  এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার ছেলে নেশাগ্রস্ত ছিল।  ঘটনাস্থল আমার ঘর থেকে প্রায় ২৫০ হাত পূর্বে।  তিনি আরো বলেন, গতরাতে ছোট মেয়ে সুরমা আক্তার, আমরা স্বামী-স্ত্রী ও আমার ছেলে নিহত সায়েদুল ইসলাম ঘরে ছিলাম।  অন্য ছেলেরা বাড়িতে ছিল না। 

নিহতের বড় ভাই মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, প্রায় সময় ছোট ভাইয়ের সাথে সায়েদুল ইসলামের ঝগড়া হত।  আমার ভাই পেশায় একজন দিনমজুর ছিল।  বিশেষ করে সে ব্রিকফিল্ডে কাজ করত।  দুপুরে নিহতের বাড়িতে গেলে নিহতের বাবা মুকবুল হোসেন জাবের (৮০) কে বাড়ির সামনের দরজায় চেয়ারে চুপ করে বসে থাকতে দেখা যায়।  তিনি বলেন, আমি কিছু জানি না।