৯:৫১ এএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রোববার | | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

Developer | ডেস্ক

সংকীর্ণ রাস্তায় বাড়ছে দুর্ভোগ

বিরামপুর-ঢাকা মহাসড়ক চার লেন করার দাবি

২৭ জুলাই ২০১৯, ০৭:৩২


দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার মধ্যে দিয়ে ‘বিরামপুর-ঢাকা’ মহাসড়ক।  সড়কটি এতই সংকীর্ণ যে একটি গাড়ি চলাচল করলে পাশে দিয়ে অন্য একটি গাড়ি চলাচল করতে পারে না।  এতে বিরামপুর মহাসড়ক যানজটের নগরীতে পরিনত হচ্ছে।  প্রতিদিন এ রাস্তায় যানজট লেগেই আছে।  বিরমাপুরের একমাত্র পাকা এই সড়কে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা।  জরাজীর্ণ রাস্তাটি চারলেন করার দাবি উত্তর জনপদের মানুষের।  যানজটের দীর্ঘ লাইন চেখে পড়ারমতো।  সংকীর্ণ এ পাকা রাস্তায় যে হারে যানবাহনের ভিড় চলছে এবং যেহারে পার্বতীপুরের কয়লা খনি ও চুনা পাথরের খনি থেকে ওভারলোড যানবাহন এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করায় নষ্ট হচ্ছে সড়ক।  ১০ চাকার ওভার লোডগাড়ি ভারে রাস্তাটি চলাচল অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।  বর্তমানে এ রাস্তায় যান বাহনের গতি নেই।  গতিহীন রাস্তায় সঠিক সময় কোন যানবাহন গন্তব্য স্থালে পৌছাতে পারে না বলে বাস, ট্রাক ড্রাইভার ও যাত্রীদের অভিযোগ।  

বৃহত্তর দিনাজপুরবাসীর দাবি এ মহাসড়কটি চারলেন করার।  বর্তমান সংকীর্ণ এ মহাসড়কটি প্রসস্তকরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় হাজার হাজার মানুষ।  বিরামপুরে মহাসড়কটি দিয়ে প্রতিদিন বৃহত্তর দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁ, পঞ্চগড় জেলার হাজার হাজার দূরপাল্লার যানবাহন এ রাস্তার চলাচল করে।  কারণ সময় কম লাগে।  রাজধানী ঢাকার দূরত্ব কমে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে শত শত যানবাহন।  ফলে যান চলাচলের ভীড় বেড়েই চলছে।  বর্তমানে এ রাস্তায় বিটুমিন নেই।  বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় খানাখন্দে ভরা এ সড়কটি।  যাত্রীকুলের ভোগান্তি আর একটি নাম বিরামপুর-ঢাকা সহাসড়ক।  দিনাজপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৯৫ কি.মি. ‘দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কটিতে’ যান চলাচলে দুর্বিসহ যানযট লেগেই চলছে।  যাত্রীদের নিদারুন ভোগান্তি মাইলের পর মাইল যানজট।  বর্তমানে এক লেনের রাস্তাটি যানবাহনের চাপে নুয়ে পড়ছে।  যাত্রীদের দাবি এ রাস্তাটি প্রসস্ত করা হোক। 
সওজের তথ্য মতে জানা য়ায, চলতি বছর নিজস্ব অর্থায়নে বিরামপুর-ঢাকা মহাসড়ক মেরামত ও পুনঃনির্মাণের জন্য (৩৩ ফিট চওড়া) প্রায় ৯৫ কি.মি. পাকাকরণ, নতুন ১০০টি কালভাটের জন্য ৮৮০ কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়।  এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপদ বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী কামিনী কান্ত রায় জানান, তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দু’লেনে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।