১১:৩৭ এএম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার | | ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

Developer | ডেস্ক

মাজার থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ

২৮ জুলাই ২০১৯, ০৬:৩৪


কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে এক বিধবা পিঠা বিক্রেতার কিশোরী কন্যাকে (১৬) গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার চর কামালপুর টুলি মৌলভীর মাজার সংলগ্ন একটি পুকুর পারে এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।  ধর্ষিতা কিশোরীর বাড়ী পার্শ্ববর্তী কটিয়াদী উপজেলার পূর্বচর পাড়াতলা গ্রামে।  এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে শুক্রবার কুলিয়ারচর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই পিঠা বিক্রেতা গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে তার কিশোরী কন্যাকে সাথে নিয়ে পিঠা তৈরী করে বিক্রয়ের জন্য কুলিয়ারচর উপজেলার চর কামালপুর টুলি মৌলভীর মাজারে যায়।  পরে মাজারের দায়িত্বে থাকা টুলি মৌলভীর ছেলে মোঃ মেরাজ মিয়ার অনুমতি নিয়ে মাজারের উত্তর দিকে একটি পিঠার দোকান বসান।  রাত ১ টার দিকে ওই কিশোরী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে মাজারের উত্তর দিকে একটি বাড়ীতে যাওয়ার সময় মেরাজ মিয়া রাস্তা থেকে ঐ কিশোরীর মুখে হাত ধরে চাপ দিয়ে ধরে টেনে হেঁচরে মাজারের পূর্বপার্শ্বে নিয়ে কিশোরীকে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে উপুর্যপরি ধর্ষণ করে ।  পরে মেরাজ মিয়া আরো ৫ জন অজ্ঞাতনামা যুবককে মোবাইল ফোনে ঢেকে এনে ওই কিশোরীকে তাদের হাতে তুলে দেয়।  তারাও ওই কিশোরীকে পালাক্রমে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে কিশোরীর কাছে থাকা একটি মোবাইল সেট ও নগদ ২ দুই হাজার ৫ শত টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং খুন করার উদ্দেশ্যে ঐ কিশোরীকে পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়। 

পিঠা বিক্রেতা লোকজন নিয়ে বহু খুঁজাখুঁজি করে রাত ৩ টার দিকে কিশোরীকে অজ্ঞান অবস্থায় পুকুর থেকে উদ্ধার করে।  এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা শুক্রবার কুলিয়ারচর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করে ।  অভিযোগ পেয়ে শনিবার কুলিয়ারচর থানার এস আই আবুল কালাম আজাদ ও এস আই মোঃ আজহারুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ মেরাজ মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি মিথ্যা দাবী করে বলেন, ওই মেয়ে ও মেয়ের মাকে আমি চিনিই না এবং তারা মাজারে পিঠা বিক্রির জন্য আসেনি।  এ ছাড়া মাজার এলাকায় ওই দিন এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। 

এ ব্যাপারে এস আই আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়ে শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।  তবে বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্ত চলছে।