৪:৪০ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার | | ১ সফর ১৪৪২

Developer | ডেস্ক

প্রাক্তন উপাচার্যের স্ত্রীর

রাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে মামলা

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:০৭


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহানসহ প্রশাসনের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।  আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে মামলাটি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দীনের স্ত্রী মোমেনা জীনাত। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছাড়া মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম. এ বারী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান আল আরিফ, শেখ রাসেল মডেল স্কুলের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম কবীর এবং স্কুলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লিসাইয়া মেহজাবীন।  এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম. এ বারীকে বিবাদী করা হয়েছে। 

মামলার বিষয়ে বাদীর আইনজীবী নুর-এ কামরুজ্জামান ইরান দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘মামলার বাদী মোমেনা জীনাত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শেখ রাসেল মডেল স্কুলের সাবেক অধ্যক্ষ।  উনি অবসর গ্রহণের পরে পেনশনসহ অন্যান্য সুবিধার ৪৫ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৫ টাকা না পাওয়ায় মামলা করেছেন।  রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতের বিচারক জয়ন্তী রাণী দাস মামলাটি আমলে নিয়েছেন।  তিনি আগামী ১৯ অক্টোবর বিবাদীদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। ’

মামলার বিবাদী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম. এ বারী দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘মামলা করেছে ঠিক আছে, এগুলো আমাদের লিগ্যাল সেল দেখে।   মামলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিগ্যাল সেলে কাগজ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।  এ সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারব না।  ’

পেনশনের টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বলেন, ‘এ সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারব না।  কারণটা হলো, এই স্কুলটা তো বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত হলে তারপর… হয়।   এই সম্পর্কে আমি অত বলতে পারব না।  এটা লিগ্যাল সেল বলতে পারবে। ‘

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।  

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১ মার্চ ওই স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মোমেনা জীনাত।  ২০১৪ সালের ২২ জানুয়ারি তিনি উপাধ্যক্ষ এবং ২০১৫ সালের ২২ জানুয়ারি অধ্যক্ষ হিসেবে পদন্নোতি পান।  ২০১৯ সালের ৩০ জুন অবসরে যান তিনি।