৫:২৬ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

Developer | ডেস্ক

'নারী নামের হরিণ শিকারের দৃশ্য ও শিকারিদের বর্বর উল্লাস'

০৯ অক্টোবর ২০২০, ০৯:১১


মন্তব্য প্রতিবেদন কলাম-

৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে যেনো আজ ভেসে বেড়াচ্ছে ধর্ষণের উৎসব, নারীর চিৎকার, শিশুর চিৎকার, মায়ের কান্না, অসহায় বাবার কলিজা ফাটা আর্তনাদ।  ফেসবুক আর ইউটিউবে যেনো ঘুরে বেড়াচ্ছে নারী নামের হরিণ শিকারের দৃশ্য ও শিকারিদের বর্বর উল্লাস।  

সর্বশেষ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ঘটনায় উল্লসিত বর্বরদের বর্বরতার দৃশ্য দেখে আজ ফুঁসে উঠেছে গোটা দেশ।  ক্রোধ, হাহাকার আর দীর্ঘদিনের বোবা যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে প্রতিবাদী স্লোগান আর গর্জনে।  ‘ভাই মাফ করেন, আমি বাচ্চার মা’। এমন আর্তনাদ শুনে যখন কেঁপে উঠছে আসমান-জমিন, সেখানে পাষাণদের মন অবিচল।  

বেগমগঞ্জের সেই মা, সেই স্ত্রী নির্যাতকদের পায়ে পায়ে ঘুরে বলছে, ‘আমার মেয়েটা ছোট, ওরে অন্তত ছেড়ে দ্যান’।  ওই মায়ের আত্মচিৎকারে সেদিন এগিয়ে আসার দুঃসাহস করেনি প্রতিবেশীরা বরং পাড়াপড়শি তখন দুয়ার আটকে চুপ!বর্বর শিকারিদের বর্বরতার নেপথ্যে যে ক্ষমতা সেই ক্ষমতার ভয়ে পাড়া-পড়শি এগিয়ে আসেনি ওই মাকে শিকারিদের হাত থেকে রক্ষা করতে।  তবে ফেসবুকের কল্যাণে ৩২ দিন আগের সেই নির্যাতনের ঘটনা ভাইরাল হলেই দেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ।  টনক নড়ে প্রশাসনের।  

জানা যায়, সেই ভিডিও ধারণ করে রাখার নেপথ্যে ওই নারীকে দাসী বানিয়ে রাখার প্রচেষ্টামাত্র। বর্বর এ ঘটনার মূলহোতা বেগমগঞ্জের ত্রাস দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার হোসেনকে (২৬) অস্ত্রসহ র‌্যাব-১১ গ্রেফতার করার পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ওরফে বাদলকে (২০)। 

মামলার এজাহারে দেলোয়ারের নাম না থাকলেও আসামিরা সবাই তারই লোক।  তারা একত্রেই বেগমগঞ্জে নানা অপকর্ম করেন।  নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দেলোয়ার বাহিনীর সবাই বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করার চেষ্টা করে। 

তাই মন্তব্য প্রতিবেদনে একটু বলি যে, বাংলাদেশের ভারতের সিমান্ত দিয়ে আমাদের সিমান্ত রক্ষীরা যদি মনে করে যে  কিছু ঢুকবেনা হয়তো সেটা সম্ভব তেমনি আইন প্রয়োহলগকারী সংস্থা  যদি মনে করে কোন অপরাধী  এদেশের আইনের প্রশাষনের হাত থেকে পার পাবেনা তাহলে হয়তো অনেকটাই রক্ষাকরা সম্ভব হতো।  

কিন্তু বর্তমানে মানুষের প্রতিটি কর্মই এক give and take হয়ে পড়েছে।  যাহার ফলশ্রুতিতে আজকেই তাহার হিসাবটা আমাদের জিবনের খাতায় শুন্য।  

কে শোনে কার কথা 'চাচা আপন প্রান বাঁচা'maght is right বচনের ও কথা।  আসুন আমরা সবাই মিলে আমরা নিজেদেরকে নিয়ে একটি বার হিসাব করি  সোনার বাংলাকে কিভাবে গড়ি তুলি।