৭:৫৮ এএম, ২৮ জানুয়ারী ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

Developer | ডেস্ক

করোনাকালে বন্দি রাখার অভিযোগ বাংলাদেশী সিঙ্গাপুরে কর্মীর মামলা

১১ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:১২


করোনা কালে বন্দি রাখার অভিযোগে সিঙ্গাপুরের সাবেক মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বাংলাদেশী কর্মী।  ‘করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত’ হওয়ার মিথ্যে অভিযোগ করে রহমান মোহাম্মদ হাসিবুরসহ মোট ২০জন কর্মীকে একটি রুমে তালাবদ্ধ করে রাখেন ওই মালিক।  গত সপ্তাহে মালিক ও ডরমিটররি অপারেটরের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছেন নির্মাণশ্রমিক হাসিবুর।  মামলার অভিযোগ পত্রে তিনি বলেন, আমাদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।  -ডেইলি মেইল

জয়লিসিয়াস ম্যানেজম্যান্টের ডরমিটরি স্টাফ গত ১৯ এপ্রিল তাদের ঘরে বন্দী করে রাখেন।  হাসিবুরের এক সহকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছে ধারণা করে তাকে হাসাপাতালে পাঠানোর পর বাকিদের বন্দী করে রাখা হয়।  আদালতের নথিতে জানা যায়, ওই সময় তাদের একজনের গার্ডে সাহায্য নিয়ে টয়লেটে যেতে দেওয়া হত।  যে তালাবদ্ধ ঘরে তাদের আটকে রাখা হয়েছিল সেটি ছিলো অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং সেখানে ভ্যাপসা গরম ছিল।  এরপর হাসিবুর টিডব্লিউসি২ নামক অভিবাসীদের সহায়তা দেয়া একটি এনজিওর কাছে গেলে তাদের একটি নতুন রুমে নেয়া হয় সেখানে ঘরের সঙ্গে একটি বাথরুম ছিলো।  তবে সেখানেও তাদের ৪৩ ঘণ্টা তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। 

ঘটনার পর বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন হাসিবুর।  তিনি বলেন, আমি মনে করি এতে করে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মালিকরা তাদের কর্মচারীদের প্রতি এমন আচরণ করা থেকে বিরত থাকবেন।  তালাবদ্ধ রুমে আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম।  ইতোমধ্যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জয়লিসিয়াস ম্যানেজমেন্টের ডরমিটরি অপারেটরকে আটক করেছে।  ভিস্পেক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সাপ্লাইস নামের কোম্পানিটির যেকোনো নিয়োগে নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।  প্রসঙ্গত, সিঙ্গাপুরের প্রায় ৫৮ হাজার করোনা শনাক্ত হয়েছে, এর মধ্যে বেশিরভাগই শনাক্ত হয়েছে ডরমিটরিতে থাকা অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে।  যা অভিবাসী শ্রমিকদের প্রতি দেশটির স্বাস্থ্যসেবা ও মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।